পিরিয়ড মেয়েদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পিরিয়ডের সময়ে মেয়েরা একাধিক আনুষাঙ্গিক সমস্যায় ভোগে।
এসময় অধিকাংশ মেয়েদের তলপেটে ব্যাথা হয়, মুড সুইং হয়, ডিপ্রেশনে ভোগে, মেজাজ খিটখিটে থাকে, খাবার গ্রহণে অরুচি, মাথা ঘুরানো, বমি বমি ভাব, অস্বস্তিবোধ ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা যায়। রক্তক্ষরণের জন্য শরীর দুর্বল হয়ে থাকে। তাই এসময় খাদ্য তালিকায় আয়রন, ভিটামিন, মিনারেলস সমৃদ্ধ খাদ্য থাকা আবশ্যক।
১.পানি
এসময় দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির প্রয়োজন হয়। তাই অন্যান্য সময়ের তুলনায় পিরিয়ডের সময় বেশি করে পানি পান করতে হবে।
তলপেটের ব্যাথা কমানোর ক্ষেত্রে গরম পানি বেশ কার্যকর। হালকা গরম পানি পান করলে বা গরম পানির সেক দিলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
২.কলা
কলাতে রয়েছে ভিটামিন বি ১২, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং প্রচুর পরিমানে এনার্জি। যা শরীরের পুষ্টিচাহিদা মিটিয়ে দুর্বলতা দূর করে।
৩.লেবু ও কমলা
লেবু ও কমলাতে রয়েছে ভিটামিন সি। যা মুখের রুচি আনতে এবং এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহয়তা করে। লেবুর শরবত বা তরকারিতে লেবু দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
৪.পেঁপে
কাঁচা পেঁপে নিয়মিত পিরিয়ড হওয়াতে সাহায্য করে এবং এটি গ্রহনে পিরিয়ডের ফ্লো ভালো হয়।
৫.কলিজা
কলিজাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। রক্তক্ষরণের ফলে দেহে আয়রনের স্বল্পতা তৈরি হয়। কলিজা আয়রনের আভাব পূরন করে।
৬.আদা
এসময় আদা খেলে ব্যাথা হতে অনেকটা প্রশান্তি পাওয়া যায়৷
৭.বাদাম
বাদাম শরীরের মিনারেলসের চাহিদা পূরণ করে। এছাড়াও ব্যাথা কমাতে ও অস্বস্তি বোধ থেকে মুক্তি দেয় বাদাম।
৮.ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেট শরীরের নার্ভ সিস্টেমকে সতেজ ও ঠান্ডা রাখে এবং মেজাজ ঠান্ডা করে। তাই এটি পিরিয়ডের সময়ে খাওয়া উচিত।
এছাড়াও পুদিনাপাতা, রুইমাছ, ডাল, ডিম দুর্বলতা কমিয়ে শারীরিক প্রশান্তি দেয়।

0 মন্তব্যসমূহ